MERCURIUS CORROSIVUS [Merc-c] মার্কিউরিয়াস করোসিভাস

উদ্বিগ্ন, দিনের বেলা খিটখিটে ও রাতে অস্থির, মাথা দোলালে উপশম।
মলত্যাগের সময় অত্যন্ত কোথানি , মলত্যাগের পরেও কোঁথানি থাকে।
মার্ক সলের চেয়ে এতে রোগ তাড়াতাড়ি বেড়ে যায়।
তার সাথে যারা কথা বলে তাদের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে এবং তাদের কথা বুঝতে পারেনা।

সিফিলিগ্রস্ত রোগ—যা থেকে ক্ষতকারী পুঁয বার হয়। ব্রাইটস্ ডিজিজ, হলে উপযোগী ।

গ্রীষ্মকালে মে মাস হতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত আমাশয় রোগ ও অন্ত্রনালীর অন্য রোগে উপযোগীল ।

রেকটামে কোথানি-মলত্যাগে কোথানি কমে না (মলত্যাগে কোথানি কমে যায়=নাক্সভ)। মলত্যাগের সময় অনবরত কোথানি হয়, সব সময়ই হয় মল গরম, পরিমাণে অল্প, রক্তমেশানো, পিছল, দুর্গন্ধ বার হয়। শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী ছিড়ে ছিড়ে বার হয়—ভয়ঙ্কর কেটে ফেলা মত, খোচা দেওয়া মত ব্যথা হয়—এসব লক্ষণে প্রযোজ্য। প্রস্রাবে কোথানি, মূত্রথলীতে তীব্র জ্বালা—পস্রাব গরম, প্রস্রাবে জ্বালা, প্রস্রাব কম হয় বা বন্ধ হয়ে যায়। প্রচন্ড ব্যথার সাথে ফোটা ফোটা প্রস্রাব হতে থাকে। রক্তমেশানো, বাদামী, ইটের গুড়োর মত তলানি পড়ে, প্রস্রাবে এলবুমেন বার হয়—এসব লক্ষণে মার্ক-কর প্রযোজ্য ।

গণোরিয়া রোগের দ্বিতীয় অবস্থায় যখন সবজে স্রাব হতে থাকে—রাতে বাড়ে মূত্রপথে তীব্র জ্বালা ও প্রস্রাবে কোথানি থাকে তখন প্রযোজ্য ।

শক্তি-৩x, ৬, ২০০ ।

সরলান্ত্রের কোঁথে সকল ঔষধের মধ্যে এটি প্রধানতম ঔষধ, যা অবিরাম চলতে থাকে এবং এই কোঁথ মলত্যাগের পরে কমে না। এই কোঁথ প্রায়ই প্রস্রাব থলিতেও। বিস্তার লাভ করে। ব্রাইটস্ ডিজীজ। গননারিয়া ; দ্বিতীয় দশা, তৎসহ অবিরাম কোঁথ। বৃক্কের স্রাব নিঃসারক অংশের ধবংস করে। এই প্রক্রিয়া ধীর গতিতে চলে, কিন্তু এটি সুনিশ্চিত। গর্ভাবস্থায় প্রথমাবস্থায় প্রস্রাবে অ্যালবিউমিনের উপস্থিতি (ফসফরাস, শেষবস্থায় এবং গর্ভাবস্থার পূর্ণতা প্রাপ্তি কালে)।

মাথা – প্রলাপ বকা, অচৈতন্য অবস্থা, কপালে বেদনা, মাথায় রক্তাধিক্য, তৎসহ গালে জ্বালা। মাথার খুলির অস্থিতে টেনে ধরার ন্যায় অনুভূতি।

চোখ – চোখের তারার পিছনের অংশে বেদনা, যেন মনে হয় চোখের তারা ঠেলে বেরিয়ে আসবে। চোখের তারার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ক্ষত;কর্ণিয়ার গভীর ক্ষত। তীব্র আলোকাতঙ্ক এবং হাজাকর অশ্রুস্রাব। উপরার প্রদাহ, সাধারণ অথবা সিফিলিস ঘটিত কারণে। (এই ঔষধের সঙ্গে বাহ্যিকভাবে এট্রোজিন ব্যবহার করা যায়, এর ফলে চোখ জুড়ে যায় । না)। রাত্রিতে তীব্র যন্ত্রণা, জ্বালাকর, তীরবিদ্ধবৎ, ছিড়ে ফেলার মত বেদনা। পুঁজ উৎপন্ন হবার প্রবণতা খুবই সামান্য থাকে। উপতারা মাটির মত রঙ যুক্ত, পুরু এবং প্রসারিত হয়।

আবার অঙ্কুরিতও হয় না। সদ্যজাত শিশুর চোখ উঠা। চোখের পাতা শোথযুক্ত, লাল, হাজাকর, তীব্র জ্বালা। চোখ দুটির ভিতরে টাটানি ব্যথা।

নাক – প্রচন্ড সর্দি। নাকে পচাক্ষত, তৎসহ নাসিকা ভেদকে ফুটা (ক্যালিবাই)। নাসারন্ধ্রে হাজাকর অনুভূতি ও হুল ফোটানোর মত বেদনা। নাকের পিছনের অংশের স্ফীতি, শ্লৈশ্মিক ঝিল্লী শুষ্ক, লাল এবং রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মায় পূর্ণ।

কান – কানের ভিততে তীব্র স্পন্দন। দূর্গন্ধযুক্ত পূজ।

মুখমন্ডল – স্ফীত। লাল, ফুলা। ঠোঁটদুটি কালো, স্ফীত। দাঁতে, দন্তমল জমে থাকে। মুখমন্ডলের ভিতরে স্নায়ুশূল, যা মুখমন্ডলের অস্থিগুলির ভিতরে অনুভূত হয়।

মুখগহ্বর — দাঁতগুলি শিথিল। মাঢ়ী বেগুনি বর্ণের, স্ফীত ও ফোঁপরা। জিহ্বা স্ফীত ও প্রদাহিত। লালাস্রাব পায়োরিয়া। প্রচুর লালাস্রাব। মুখের আস্বাদ লবণাক্ত ও তিততা।

গলা— লাল, স্ফীত, বেদনাপূর্ণ, মারাত্মক ধরনের প্রদাহিত। আলজিহ্বা স্ফীত। গলাধঃকরণ কষ্টকর। অধিকাংশ বেদনা নাকের পিছনের অংশে অনুভূত হয় তৎসহ তীক্ষ বেদনা কানের পিছনের অংশ পর্যন্ত প্রসারিত হয়। জ্বালাকর বেদনা, তৎসহ প্রচন্ড ফোলা ; সামান্য বাহ্যিক চাপে বৃদ্ধি পায়। গলার চারপাশে সকল গ্রন্থি সমূহের স্ফীতি।

পাকস্থলী – অবিরাম সবুজ এবং পিত্ত যুক্ত বমন। পেটের উপর অংশ অত্যন্ত অনুভূতি প্রবণ।

উদর – গেঁৎলিয়ে যাবার মত অনুভূতি ; অন্ধান্ত্র প্রদেশ এবং বৃহদন্ত্রের যে অংশ। আড়াআড়িভাবে থাকে তা বেদনা পূর্ণ। ফোলা, সামান্য স্পর্শে তীব্র বেদনা অনুভূত হয়।

মল – আমাশয়, কোঁথ, মলত্যাগের পরেও কোথ কমে না ; অবিরাম কোথ। মল উত্তপ্ত, রক্তযুক্ত, পিচ্ছিল, দূর্গন্ধ যুক্ত, তৎসহ কেটেফেলার মত বেদনা এবং মলের মধ্যে। ফালি-ফালি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর টুকরো থাকে।

শ্বাসযন্ত্র সমূহ – কণ্ঠনলীর ভিতর বেদনা, অনেকটা ছুরি দিয়ে কেটে ফেলার মত। স্বরলোপ, কাশি, তৎসহ রক্ত যুক্ত শ্লেষ্মা উঠে। নাড়ী দ্রুত ও থেমে-থেমে। বুকের ধার দিয়ে সূচীবিদ্ধবৎ বেদনা।

প্রস্রাব – প্রস্রাবনলীর ভিতরে তীব্র জ্বালা, প্রস্রাব গরম, জ্বালাকর, স্বল্প অথবা বাধাপ্রাপ্ত; রক্ত মিশ্রিত, সবুজাভ স্রাব। অ্যালবিউমিন যুক্ত প্রস্রাব। প্রস্রাবথলির কোঁথ। প্রস্রাবলী ছুরি দিয়ে বিদ্ধ করার মত বেদনা, বেদনা উপরের দিকে প্রস্রাব থলি পর্যন্ত প্রসারিত হয়। প্রস্রাব করার পরে ঘর্মস্রাব।

পুরুষের রোগ – পুরুষাঙ্গ ও অন্ডদ্বয় ফুলে বিরাটাকার ধারণ করে। শ্যাঙ্কার, পচাগলা অবস্থা প্রাপ্ত হয়। গনোরিয়া, প্রস্রাব নলীর ছিদ্র লাল, স্ফীত ;লিঙ্গমুন্ড উত্তপ্ত এবং উষ্ণ। স্রব সবুজাভ, গাঢ়।

জ্বর –  সামান্য বাতাস লাগলেই শীতবোধ। প্রচন্ড ঘাম, সারা শরীর ঠান্ডা। কমাবাড়া বৃদ্ধি, সন্ধ্যায়, রাত্রে, অম্লজাতীয় বস্তুতে। উপশম, বিশ্রামকালে।

সম্বন্ধ – তুলনীয় আর্সেনিক ; ল্যাকেসিস ; লিয়োনিউরাস – মাদারওয়ার্ট – ‘ (বস্তিকোটরের যন্ত্রসমূহের উপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম, আক্ষেপের উপশম করে ও স্নায়বিক উপদাহ, স্রাব সমূহ বৃদ্ধি করে এবং জ্বরের উত্তেজনাকাল প্রশমিত করে। বাধাপ্রাপ্ত ঋতুরক্ষেত্রে অত্যন্ত মূল্যবাণ ঔষধটি এবং প্রসবান্তিস্রাবের ক্ষেত্রে ; আমাশয় ; বমন ; উদরে আতঙ্কদায়ক বেদনা, প্রচন্ড পিপাসা, জিহ্বা শুষ্ক ও ফাটা);

মনসোনিয়া (বস্তুগত মাত্রায় আমাশয় প্রযোজ্য)।

দোষঘ্ন — বাইক্লোরাইড বিষাক্ততার ক্ষেত্রে, ক্যালসিয়াম সালফাইড দোষঘ্নের কাজ করে। ৭ ১/২ গ্রেন পরিমান ঔষধ। ৭ ১/২ আউন্স গরম জলের সঙ্গে মিশিয়ে শিরার ভিতর হণজেকশন করা হয়।

শক্তি – ৬ষ্ঠ শক্তি।

মার্ক করে অধিক ক্ষতকারিতা ও জ্বালা, অধিক কার্য্যশীলতা ও উত্তেজনা আছে। মার্ক ইহা অপেক্ষা অধিক ধীরগতি ও মন্থর। মার্ক কর উহার গতির দিক হইতে ভীষণ এবং ক্রিয়াশীল, উহা অধিক ক্ষিপ্রতার সহিত আক্রমণ করে এবং ক্রিয়ার বিকাশ ঘটায়। সুতরাং মার্কারির ভিত্তি ধরিয়া আমাদিগকে অনেক ক্ষেত্রে এই উপক্ষারটিকে বাছিয়া লইতে হয়।

চক্ষু লক্ষণের ইহাতে অধিক ক্ষতকারিকা থাকে। উদ্ভেদগুলিতে ও ক্ষতগুলিতে যন্ত্রণা, জ্বালা, চিড়িকমারা ইত্যাদি অধিক ভীষণ হয়। মার্কে আমরা ধীরে বিস্তারশীল ক্ষত পাই, কিন্তু মার্ক করে অত্যন্ত ক্ষতকারিতা আছে; এক রাত্রের মধ্যে উহা তোমার হাতের চেটোর পরিমাণ স্থানে বিস্তৃত হইয়া পড়িবে । ইহাতেও সেই পারদ বিষাক্ততার গন্ধ ও ঘর্ম আছে এবং রোগীও মলিন হইয়া যায়; তাহার মার্কারিই আবশ্যক, কিন্তু মার্ক ভাইভাস’ অপেক্ষা অধিক ক্রিয়াশীল প্রস্তুতি চাই।

মার্ক করে ইহার নিজস্ব নির্দিষ্ট লক্ষণও আছে, কিন্তু তাহাদের সংখ্যা বেশী নহে। তুমি লালাস্রাব বা ক্ষতের চর্বির ন্যায় তলদেশকে পৃথক বলিতে পার না। কিন্তু যদি মার্ক-জ্ঞাপক রোগীর গলক্ষতে ক্ষতগুলি দ্রুত বিস্তৃত হইতে থাকে এবং জ্বলন্ত কয়লার ন্যায় জ্বালা এবং চিড়িকমারা দেখা যায়, তাহা হইলে তুমি বলিবে যে, মার্ক’ এত তীব্র নহে। এই ভীষণতা, তীব্র জ্বালা এবং দ্রুত বিস্তারশীলতার জন্য তোমার মার্ক করের প্রয়োজন। গলা অত্যন্ত স্ফীত হয়। গ্রন্থিগুলি স্ফীত হয় এবং তৃষ্ণা অনিবার্য হইয়া পড়ে।

আমাশয়ে অধিক ভীষণতা, থাকে, প্রচুর রক্তপাত হয়, অত্যন্ত উৎকণ্ঠা থাকে, রোগী এক মুহূর্তের জন্যও মলত্যাগ পাত্র ছাড়িতে পারে না। সরলান্ত্রে এবং মূত্রস্থলীতে অত্যন্ত কুন্থন থাকে, অবিরত মল ও মূত্রত্যাগের বেগ থাকে, সরলান্ত্রে অত্যন্ত জ্বালা থাকে। এই অবস্থা আমাশয়ের একটি ভীষণ রোগীক্ষেত্র। সাধারণভাবে মার্ক-জ্ঞাপক অবস্থায় আমি মার্ককেই পছন্দ করিতাম, কিন্তু রোগী যদি এরূপ হয় যে, উপশম না দিলে, সে আর বাচিবে না, তাহা হইলে মার্ক করই প্রয়োজন।

মূত্রযন্ত্রাদির লক্ষণগুলিও ভীষণ হয়। মার্ক’ অপেক্ষা মার্ক করেই অন্ডলালিক মূত্র অধিক স্পষ্ট থাকে। গর্ভকালীন অন্ডলালিক মূত্রে এই ঔষধটিই সচরাচর প্রযোজ্য ঔষধগুলির অন্যতম এবং গেটেবাত থাকিলে অত্যন্ত উপযোগী হয়।

পুরুষের লিঙ্গাগ্র-ত্বকের সামান্য উপদাহে, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী এবং চৰ্ম্ম জুড়িয়া যায় এবং মুদা রোগ উপস্থিত হয়। মার্ক কর চুলকানির ও জ্বালার উপশম দেয় এবং মুখশায়ী পেশীকে শিথিল করিয়া দেয়। ইহা গণোরিয়ায় অধিক প্রয়োজন হয় না, কিন্তু যদি সবুজাভ স্রাব, অথবা রক্তাক্ত জলের মত স্রাবের সহিত অত্যন্ত জ্বালা এবং অবিরত মল-মূত্রবেগ এবং ভীষণ কষ্টকর লিঙ্গোচ্ছ্বাস থাকে, তাহা হইলে ইহার আবশ্যক হয়। সিফিলিসের স্যাঙ্কার অতিদ্রুত বিস্তৃত হয়। যেখানে-সেখানে, বিশেষতঃ বক্ষে সূচীবিদ্ধবৎ, বিদীর্ণকর, ছিন্নকর যাতনা।

অপর নাম – মারকিউরিক ক্লোরাইড (Mercuric Chloride)

বাইক্লোরাইড অব মারকারি (Bichloride of Mercury)

করসিভ সাবলিমেট (Corrosive Sublimate)

*সাধারণতঃ মারকিউরিয়াস সলিবিউলিস ও ভাইভাসের লক্ষণের মধ্যে এত মিল থাকে যে একই লক্ষণে কেউ কেউ একটি জায়গায় আর একটিকে ব্যবহার করে থাকেন। আবার কেউ কেউ বলেন যে ভাইভাস পুরুষদের পক্ষে ও সলিবিউলিস মেয়েদের পক্ষে বিশেষ উপযোগী। ডা. ন্যাশ অবশ্য এরকম কোন প্রভেদ করেননি। তিনি মনে করেন যে, চর্মরোগেই সলিবিউলিস সবচেয়ে ভাল কাজ করে।

সরলান্ত্রের কুন্থনে মারকিউরিয়াস করসিভাস মার্কারি অন্যান্য ঔষধ অপেক্ষা শ্রেষ্ট। এই কোঁথানিতে বিরাম থাকে না। মলত্যাগেও কষ্টের কোন উপশম হয় না।

আমরা এই লক্ষণগুলি দেখেই রক্তামাশয়ে নাক্সভমিকা ও মার্ককরের পার্থক্য নির্ণয় করি। মূত্রাশয়ের কুন্থনও মার্ক করে আছে।

তবে এই সকল লক্ষণে বিশেষতঃ রক্তামাশয়ে ক্যান্থারিস,ক্যাপ্সিকাম ও নাক্সভমিকার সঙ্গে মার্ককরের তুলনা করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য লক্ষণ দেখেই পার্থক্য নিরূপন করতে হয়।

সাধারণতঃ প্রবল কুন্থন সরলান্ত্রে আরম্ভ হয়ে মূত্রাশয়ে,বা মূত্রাশয়ে আরম্ভ হয়ে সরলান্ত্র পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলে মার্ক কর প্রযোজ্য। প্রমেহ রোগে মারকিউরিয়াস করোসিভাস অতিশয় ফলপ্রদ ঔষধ, বিশেষ করে প্রমেহের দ্বিতীয় অবস্থায় যখন ঈষৎ সবুজ বর্ণের স্রাব নিসৃতঃ হয় এবং জ্বালা ও কোঁথানি নিয়ত চলতে থাকে তখন মার্ককর উপযোগী। ব্রাইটস ডিজিজ নামক রোগেও এটি ভাল কাজ করে, ক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলে একেই দেবেন।

কোন কোন চিকিৎসকের মতে চোখে ঠান্ডা লাগায় ও নাকের সর্দিতে ইহা উপকারী।

মারকিউরিয়াস করসিভাস-মূলকথা

১। মলত্যাগের আগে, পরেওসময়ে প্রবলকুন্থন, মল অল্প, মিউকাস ও রক্তযুক্ত।

২। একই সময়ে সরলান্ত্রে ও মূত্রথলীতে কুন্থন, প্রবল বেদনা সহকারে ফোঁটা ফোঁটা মূত্রপাত।

৩। মাঢ়ী ফোলা ও রক্তস্রাবের প্রবণতাসহ গলনালীর অত্যন্ত প্রদাহ, ফোলা ও, জ্বালা।

About The Author

M.D (AMCC, Kolkata, India) M.M (B.M.E.B) D.H.M.S (B.H.B)

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!